গ্যাসটিকের সমস্যায় করনীয়

গ্যাসটিকের সমস্যায় করনীয়

রোগ ও ঔষধ

প্রতিটি মানুষের কম বেশি গ্যাসটিকের সমস্যা থেকে থাকে। ছোট বড় সকলেই আমরা এই সমস্যায় সম্মুখিন হয়ে থাকি। এটি এমন একটি অসুখ এর থেকে আরও নানা ধরনের অসুখে আমরা আক্রান্ত হয়ে থাকি। আজ আমরা গ্যাসটিকের সমস্যায় করনীয় সম্পর্কে আলোচনা করবো।

                                      এন্টাসিড – Entacyd

এন্টাসিড - Entacyd
এন্টাসিড – Entacyd

উপাদান:

এ্যালুমিনাম হাইড্রোক্সাইড ২৫০ মি. গ্রা. এবং ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ২৫০ মি. গ্রা. এবং ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ৪০০ মি. গ্রা. ট্যাবলেট। এ্যালুমিনাম হাইড্রোক্সাইড ১৭৫ মি. গ্রা./৫ মি. লি. সাসপেনশন।

নির্দেশনা:

অম্লাধিক্য (হাইপার এসিডিটি), পাকস্থলী বা অন্ত্রে ঘা (পেপটিক আলসার), পাকস্থলী বা অন্ত্রে ঘা (পেপটিক আলসার), পাকস্থলীর প্রদাহ (গ্যাস্ট্রিইটিস), বুক জ্বালা (হার্টবান) এবং বদহজমে (ডিসপেপসিয়) নির্দেশিত।

মাত্রা ও ব্যবহার বিধি:

ট্যাবলেট: ১-২ টি ট্যাবলেট খাবার ১-৩ ঘন্টা পরে এবং রাত্রে শোবার সময়।

সাসপেনশন: চা চামচের ১-২ চামচ খাবার ১-৩ ঘন্টা পরেে এবং শোবার সময়।

সতর্কতা ও যেসব স্থানে ব্যবহার করা যাবে না:

যেসব রোগীদের হাইপোফসফেটেমিয়া আছে তাদের এটি দেয়া যাবে না।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া:

দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে এলকালইউরিয়া এবং নেফ্রোলিথিয়াসিস হতে পারে।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ব্যবহার:

গর্ভধারনের প্রথম তিন মাসে এন্টাডিস ব্যবহার না করার পরামর্শ দেয় হয়।

সরবরাহ:

এন্টাসিড ট্যাবলেট: প্রতিটি বক্সে আছে ২০০টি চুষে খাওয়ার ট্যাবলেট।  এন্টাসিড সাসপেনশন: প্রতিটি পেট বোতলে আছে ২০০ মি. লি. সাসপেনসন।

 

                                        এন্টাসিড প্লাস – Entacyd Plus

"<yoastmark

উপাদান:

এ্যালুমিনিয়াম হাইডোর ক্সাইড ৪২৫ মি. গ্রা. ম্যাগনেসিয়াম হাইডোর ক্সাইড ৪০০মি. গ্রা. মিমেথিকন ৩০ মি. গ্রা./ট্যাবলেট। এ্যালিু মনাম হাইডোরক্সাইড ৪০০ মি. গ্রা. ও সিমেথিকন ৩০ মি গ্রা/৫ মি. লি. সাপেনশন।

নির্দেশনা:

পাকস্থলী বা অন্ত্রেঘা, পাকস্থলীর প্রদাহ, পেপটিক ইসোফ্যাগাইটিস, অম্লাধিক্য, বুক জ্বালায় ব্যবহৃত হয়।

মাত্রা ও ব্যবহার বিধি:

ট্যাবলেট: ২ টি ট্যাবলেট খাবার ১-৩ ঘন্টা পরে এবং রাতে শোবার সময়।

সাাসপেনশন: চা চামচ পূর্ণ দুই চামচ খাবার ১-৩ ঘন্টা পরে এবং শোবার সময়।

সতর্কতা ও যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:

যেসব রোগীদের হাইপোফসফেটমিয়া আছে তাদেরকে এই ওষুধ দেয়া যাবে না।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া:

ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য কিংবা বমি বমি ভাব দেখা দিতে পারে।

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালের ব্যবহার:

গর্ভধারনের প্রথম তিন মাস এটি ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সরবরাহ:

এন্টাসিড প্লাস ট্যাবলেট: প্রতিটি বক্সে আছে ২০০ টি চুষে খাওয়ার ট্যাবলেট।

এন্টাসিড প্লাস সাসপেনশন: প্রতিটি পেট বোতলে আছে ২০০ মি. লি. সাসপেনশন।

                                         ফ্লাকোল – flacol

উপাদান:

সিমেথিকন ৬৭ মি. গ্রা./মি. লি।

নির্দেশনা:

পেট ফাঁপা, অন্ত্রের ফোলাভাভ, পেট ভার, অতিরিক্ত গ্যাস এবং এর ফলে সৃষ্ট ব্যথা এবং বৃহদান্ত্রের জন্য প্রস্তুত মিশ্রণ হিসাবে নির্দেশিত।

মাত্র ও ব্যবহার বিধি:

শিশু: ২০-৪০ মি. গ্রা. (০.৩ মি. লি. থেকে ০.৬ মি. লি.) দিনে ৪ বার।

পূর্ণবযস্ক: ৪০-১২৫ মি. গ্রা. ৯০.৬-১.৯ মি. লি.) দিনে ৪ বার।

সতর্কতা ও যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না:

দৈনিক ১২ ডোজের অধিক দেওয়া যাবে না।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া:

কোন ক্ষতিকর প্রক্রিয়া নেই।

সরবরাহ:

ফ্লাকোল পেডিয়াট্রিক ড্রপস্: প্রতিটি বোতলে আছে ১৫ মি. লি. ড্রপস্ প্লাস্টিক ড্রপার সহ।

আমরা যদি নিয়মিত ঠিকঠাকমত সঠিক নিয়মে খাবার খাই তা হলে অনেকটাই গ্যাসটিক থেকে বাচা সম্ভব হবে। যদি কেউ গ্যসটিকে আক্রন্ত হয় তাহলে নিয়মিত ঔষধ সেবনে তা থেকে বাচা সম্ভব।

সাস্থ বিষয়ক যে কোন তথ্য পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। যদি সাস্থ সম্পর্কে কোন কিছু জানার থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে কমেন্টে জানাবেন । আমরা আপনার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো। তো আজকে এখানেই শেষ করছি গ্যাসটিকের সমস্যায় করনীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা।

সকলে ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।

এলার্জিক সমস্যার সমাধান

জ্বর ও সাধারন ব্যথায় করনীয়

ত্বকের ঘা হলে যা করতে হবে

1 thought on “গ্যাসটিকের সমস্যায় করনীয়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *